করোনায় কি খাবেন কি খাবেন না

করোনায় কি খাবেন কি খাবেন না
করোনায় কি খাবেন কি খাবেন না

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বিশ্বব্যাপী মহামারি আকার ধারণ করেছে। এক দিকে এর চিকিৎসা ও ব্যবস্থাপনা যেমন দুরূহ তেমনি আমাদের মতো জনবহুল ও অপ্রতুল চিকিৎসা ব্যবস্থায় করোনার সংক্রমণ মোকাবিলা করা আরও জটিল।
করোনায় বদলে গিয়েছে আমাদের জীবনযাত্রা। দীর্ঘদিন লকডাউনের ফলে বদলে গেছে অনেক অভ্যেস। সকলেই এখন অফিসের বদলে বাড়ি বসে কাজে অভ্যস্ত। বন্ধ বিনোদন। এই লকডাউনে সকলেই প্রায় রান্নায় হাত পাকিয়েছেন। এতদিন বন্ধ ছিল হোটেল- রেস্তোরাঁও। অনেকে আবার নিরাপত্তার কথা ভেবেও বাইরের খাবার খাননি। ১ জুন থেকে দেশে রেস্তোরাঁ এবং শপিং মল আবার খুলতে শুরু করেছে। তবে দলে গিয়েছে চেনা ছন্দ। ক্রকারিজের টুংটাং আর নেই। করোনার সংক্রমণের ভয়ে ব্যবহার করা হচ্ছে বিশেষ ডিসপজেবল প্লেট। মেনুকার্ড আসছে হোয়্যাটসঅ্যাপে। রেস্তোরাঁতে ঢোকার আগে দেহের তাপমাত্রা পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। বেঁচে থাকতে আমাদের খেতেই হবে। করোনা পরবর্তী সময়ে সকলের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে বেশিরভাগ রেস্তোরাঁ যে যে পন্থাগুলি নিয়েছেন

কর্মী প্রশিক্ষণ- খাবারের ক্ষেত্রে প্রথম ধাপ হল সুরক্ষা। স্বাস্থ্যবিধি মেনে খাবার বানাতে হবে। কুকিং, প্যাকিং এবং ডেলিভারির ক্ষেত্রে কী কী সতর্কতা নিতে হবে আগে সেই ট্রেনিং দিতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দেওয়া গাইডলাইন মেনে চলতে হবে। এছাড়াও পিপিই পরে কাজের অভ্যেস করছেন কর্মীরা। হাত ধওয়া এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এসব তো থাকছেই।

কোন একজন বা দুজন মানুষের পক্ষে কিচেন, অতিথি সব কিছু দক্ষভাবে সামলানো মুশকিল। সেক্ষেত্রে যদি লাইভ কিচেনের ব্যবস্থা করা হয় তা হলে কিছুটা সুরাহা হয়। এছাড়াও কর্মীরা যেভাবে নিজেদের হাইজিন মেনে চলছে সেটাও অতিথিদের দেখাতে হবে। প্রতিদিন রেস্তোরাঁর সব কর্মীদের দেহের তাপমাত্রা পরীক্ষা করা দরকার।
রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে এরকম খাবার মেনুতে রাখা দরকার। কারণ এই ভাইরাসের সঙ্গে এখন আমাদের লড়াই করতে হবে। তাই নানারকম জুস বেশি করে মেনুতে রাখা দরকার। রসুন, হলুদ, আদা, লেবু এই খাবারগুলো এমনিতেই ইমিউনিটি বাড়ায়। এসব ব্যবহার করে কি কি বানানো যেতে পারে সেদিকে নজর দিতে হবে। ভিটামিন সি এবং ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবারের দিকে নজর দিতে হবে বেশি।

যেসব খাবার বাদ দিতে হবে: কার্বনেটেড ড্রিংকস, বিড়ি, সিগারেট, জর্দা, তামাক, সাদাপাতা, খয়ের—এগুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতায় বাধা দিয়ে ফুসফুসের সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়। ঠান্ডা খাবার, যেমন আইসক্রিম, চিনি ও চিনির তৈরি খাবার ভাইরাসের সংক্রমণে সহায়তা করে। এইসব বাদ দিতে হবে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here