হালদায় মাছের পোনা অবমুক্তকরণ প্রকল্পে দেশে মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধি হবে : রুহুল আমিন

হালদায় পোনা অবমুক্ত করার লক্ষে স্থানীয় একটি পুকুরে মাছের পোনার নিবিড় পরিচর্যা পর্যবেক্ষন করছেন হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুহুল আমিন।
হালদায় পোনা অবমুক্ত করার লক্ষে স্থানীয় একটি পুকুরে মাছের পোনার নিবিড় পরিচর্যা পর্যবেক্ষন করছেন হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুহুল আমিন।

বাংলাদেশের একমাত্র কার্প জাতীয় মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদীর মা মাছের (ব্রুড ফিশ) মজুদ বৃদ্ধির মাধ্যমে ভবিষ্যতে ডিমের পরিমাণ বৃদ্ধির লক্ষ্যকে সামনে রেখে হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় কর্তৃক মাছের পোনা অবমুক্তকরণ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। হালদা নদীতে মা মাছের পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে ডিমের পরিমান বাড়বে যা দেশের মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এবং জাতীয় অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখবে।

গত ২৫ মে হালদা নদীতে ডিম ছাড়ে মা মাছ। স্থানীয়রা সেই ডিম সংগ্রহ করে হ্যাচারি অথবা মাটির তৈরি কুয়ায় স্থানীয় পদ্ধতিতে রেনু উৎপাদন করে। উৎপাদিত সেই রেনু ক্রয় করে স্থানীয় গড়দুয়ারা ইউনিয়নের একটি পুকুরে নিবিড় পরিচর্যার কাজ শুরু হয় গত জুন থেকে। স্থানীয় বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে ৬ ইঞ্চি বা তারও বেশি আকার ধারণ করলে তা হালদা নদীতে অবমুক্ত করা হবে।

আজ ২৬ জুলাই তারিখে মাছের বৃদ্ধি এবং অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হয়। এই প্রকল্পের কার্যক্রম ৩০ এপ্রিল হতে ৩০ আগস্ট ২০১৯ পর্যন্ত চলবে।

‘হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুহুল আমিন বলেন, গড়দুয়ারা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সরওয়ার মোর্শেদ তালুকদার আমাকে একটি পুকুরের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। ঐ পুকুরে নিবিড় পরিচর্যার কাজ শুরু হয় গত জুন থেকে। রেনুগুলো ৬ ইঞ্চি লম্বা হলে আমরা হালদা নদীতে অবমুক্ত করবো। তিনি জানান, আগামী ১৭ আগস্টের পরে যেকোন দিন এগুলো অবমুক্ত করা হবে। ‘

‌’হালদা নদী রক্ষা কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড: মোহাম্মদ মঞ্জুরুল কিবরিয়া বলেন, কার্প জাতীয় মা মাছের মজুদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ প্রকল্পটি হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার গ্রহণ করেছেন। এই প্রকল্পের মাধ্যমে “দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র” হালদা নদী আরো সমৃদ্ধ হবে। ‘

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here